Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প


। প্রকল্পের নামঃ সমাপ্ত বেকার যুবদের কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রকল্প (২য় পর্ব)

 

সারসংক্ষেপঃ দেশের শিক্ষিত বেকার যুবদের কারিগরী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদে পরিণত করা এবং সাবলম্বি করে গড়ে তোলাই সমাপ্ত এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য। এ প্রকল্পের আওতায় রাজাবাড়ীহাটস্থ আঞ্চলিক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্রে  (ক) কম্পিউটার ট্রেডে ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিংসহ কম্পিউটার বেসিক কোর্স ও কম্পিউটার গ্রাফিক্স কোর্স (খ) ইলেকট্রিক্যাল এন্ড হাউজওয়ারিং ট্রেড (গ) রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং ট্রেড এবং ইলেকট্রনিক্স ট্রেডে বেকার যুবদের হাতে কলমে বাসত্মব ভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কোর্স সমূহের মেয়াদ ০৬ মাস। এ প্রকল্পের মেয়াদ জুন ২০০৬-এ সমাপ্ত হয়েছে। প্রকল্পের কার্যক্রমসহ জনবল রাজস্বখাতে স্থানামত্মর প্রক্রিয়াধীন আছে। বর্তমানে থোক থেকে বরাদ্দের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কায্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

 

 

২। প্রকল্পের নামঃ কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থান সুষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদারকরণ প্রকল্প ঃ

 

সারসংক্ষেপঃ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় প্রশিক্ষণ সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে সম্প্রসারণ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক স্বল্প মেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি যুবদের আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র বিমোচনের সহায়ক ভূমিকা পালন করায় বেকার যুবদের জন্য অধিক হারে প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির বিষয়ে অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করে প্রতি বছর প্রতিটি উপজেলায় ৪৪০ জন বেকার যুবক ও যুবমহিলাকে দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্কুল, মাদ্রারাসা, ক্লাব, কলেজ ও ইউনিয়ন পরিষদ ইত্যাদি স্থানে প্রাপ্ত সুবিধা ব্যবহার করে স্থানীয় চাহিদাভিত্তিক ০৭, ১৪ ও ২১ দিন মেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচেছ । প্রকল্পটি ৫৭টি জেলার ৪৪২টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন, প্রজনন স্বাস্থ্য, নিরাপদ মাতৃত্ব, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি উন্নয়ন, এইচআইভি, এইডস, মাদব দ্রব্যের অপব্যবহার রোধ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ণৈতিক অবক্ষয় রোধ, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন, যুব নেতৃত্বের বিকাশ, অনৈতিক ও সমাজ বিরোধী কর্মকান্ড প্রতিরোধ, গণতন্ত্রায়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি বিষয়ে যুবদের উদ্বুদ্ধ করা হয়। ফলে বেকার যুবরা দক্ষতাবৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জীবন দক্ষতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করে তাদের জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ প্রকল্পটি দেশের দারিদ্র বিমোচন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক অবদান রাখছে।

 

৩।   ইনোভেটিভ ম্যানেজমেন্ট অব রিসোর্সেস ফর পোভারটি এলিভিয়েশন ধ্রু কম্প্রিহেন্সিভ টেকনোলজি (ইমপ্যাক্ট) প্রকল্প :

 

 সারসংক্ষেপঃ বেকার যবুদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে গবাদিপশু ও মুরগীর খামার স্থাপন ও সম্প্রসারণ, খামারের বর্জ্য যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে বায়োগ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ অন্যান্য অথনৈতিক কমকান্ডের দ্বারা আথসামাজিক উন্নয়ন এ সমাপ্ত প্রকলেপর উদ্দেশ্য। পারিবারিক, মাঝারি ও বড় আকারে মুরগী ও গরুর খামার স্থাপনের মাধ্যমে বায়োগ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদন প্ল্যান্ট স্থাপন এ প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য। বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থান প্রকল্পের সম্পদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের জন্য প্রকল্পের কমকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত যুবদের প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া প্রকল্পের মাধ্যমে যুবদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। জাপান সরকারের জেডিডসএফ-এর আর্থিক সহায়তায় সমাপ্ত প্রকল্পের কাযক্রম দেশের ১০টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বতমানে রাজশাহী জেলার বঘা উপজেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।